This Article is From Jun 15, 2019

ভয়ঙ্কর! পায়ের নীচের কাচের আচ্ছাদনে ফাটল ধরতেই শিউরে উঠলেন পর্যটকেরা

একেই বলে, রাখে হরি মারে কে!  অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন শিকাগোর উইলস টাওয়ারের কাচের ডেকে দাঁড়িয়ে থাকা পর্যটকেরা।

ভয়ঙ্কর! পায়ের নীচের কাচের আচ্ছাদনে ফাটল ধরতেই শিউরে উঠলেন পর্যটকেরা

উইলস টাওয়ারের কাচের ডেকে ফাটল!

একেই বলে, রাখে হরি মারে কে!  অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন শিকাগোর (Chicago) উইলস টাওয়ারের (Willis Tower) কাচের ডেকে দাঁড়িয়ে থাকা পর্যটকেরা। খবর, লুক থ্রু কাচ দিয়ে তৈরি এই মেঝেয় পা রাখতেই আচমকা ফাটল (crack) ধরে তাতে। সঙ্গে সঙ্গে মৃত্যু ভয়ে শিউরে ওঠেন পর্যটকেরা। প্রসঙ্গত, টাওয়ারের ১০৩ তলায় অবস্থিত মাটি থেকে ১,৩৫৩ ফুট উঁচু (1,353-feet above ) এই ডেক ই মূলত পর্যটকদের কাছে প্রধান আকর্ষণ। আর এত ওপর থেকে পড়লে যে প্রাণ হাতে নিয়ে আর ফেরা সম্ভব হবে না বুঝেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন পর্যটকেরা। তাঁদের সরিয়ে নিয়ে আসার পরেই নাকি টুকরো টুকরো হয়ে ভেঙে পড়ে ডেকটি।

উইলস টাওয়ারের পক্ষ টেরি কর্নেলিয়াস জানিয়েছেন, প্রোটেকটিভ কাচ দিয়ে তৈরি এই মেঝেয় একেবারে ওপররে স্তরে সূক্ষ্ম চিড় ধরেছিল। এতে পর্যটকদের প্রাণহানির কোনও সম্ভাবনাই ছিল না।

তাঁর আরও দাবি, "যেহেতু এখানে রোজই পর্যটকদের ভিড় হয় তাই আমরা এতটাই পোক্ত কাচ দিয়ে ডেকটি বানিয়েছি যে সহজে এটা ভাঙার নয়। তবুও সাবধানতার জন্য চিড় ধরার সঙ্গে সঙ্গেই আমরা পর্যটকদের সরিয়ে নিয়ে যাই।" যদিও পরে কাচ ভাঙা প্রসঙ্গে মুখ খোলেননি তিনি। 

সে সময়ে ঘটনাস্থলেই ছিলেন স্থানীয় বাসিন্দা জিসাস পিন্টাডো। প্রত্যক্ষদর্শী জিসাস জানান, আচমকাই তিনি বিকট শব্দে কিছু ভেঙে পড়ার আওয়াজ পান। তিনিও তখন ডেকে উঠবেন বলে লাইনে দাঁড়িয়ে। চিড় ধরার সঙ্গে সঙ্গে ডেকে দাঁড়িয়ে থাকা সমস্ত পর্যটকদের মুখ নিমেষে মৃত্যু ভয়ে নীল হয়ে যায়। 

ডেক ভেঙে পড়ার সেই মুহূর্তের ভিডিও পরে সোশ্যালে আপলোড করেন পিন্টাডো। এখন সেই ভিডিওর ভিউয়ার্স সংখ্যা ৭ লাখ। 

অঘটনের দিনই রাতারাতি বদলে ফেলা হয় ডেকের কাচ। পরের দিন থেকেই ফের স্বমহিমায় পর্যটকদের কাছে ফিরে আসে উইলস টাওয়ারের আকর্ষণ।

প্রসঙ্গত, স্কাইডেস্ক (Skydeck) প্রথম খোলা হয় ১৯৭৪ সালে। তখন থেকেই লাগানো এই প্রোটেকটিভ কাচ। যার ওজন প্রায় পাঁচ টন।

Click for more trending news


.