মাসের পর মাস সুশান্ত-কাণ্ড প্রাইম টাইম ইস্যু হতে পারে না: চেতন ভগত

২০১৩ সালে ভগতেরই কাই-পো-চে'কে সিনেমার পর্দায় মুক্ত করা হয়। আর সেই ছবি দিয়ে বলিউডে অভিষেক ঘটেছিল প্রয়াত সুশান্ত সিং রাজপুতের

এনডিটিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এভাবেই সরব হয়েছেন তিনি।

নয়াদিল্লি:

সংবাদ মাধ্যমের প্রাইম টাইমে সুশান্ত সিং মৃত্যুরহস্য নিয়ে প্রচার এবার বন্ধ হোক। দেশ এখন একাধিক সঙ্কটের মধ্যে যাচ্ছে। কিছু প্রচার সেই সঙ্কট সমাধানে দেওয়া হোক। এভাবেই শুক্রবার সরব হয়েছেন সাহিত্যিক চেতন ভগত। ২০১৩ সালে ভগতেরই কাই-পো-চে'কে সিনেমার পর্দায় মুক্ত করা হয়। আর সেই ছবি দিয়ে বলিউডে অভিষেক ঘটেছিল প্রয়াত সুশান্ত সিং রাজপুতের। সেই প্রসঙ্গ উল্লেখ করে এনডিটিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে চেতন ভগত বলেছেন, "সম্পূর্ণ শ্রদ্ধা জানিয়ে বলছি আমি ওকে ভালোবাসি। ওর জন্য আমার কেরিয়ার রক্ষা পেয়েছে। কাই-পো-চে'র জন্য প্রযোজক পাওয়া যাচ্ছিল না। থ্রি-ইডিয়টস কাণ্ডের পর থেকে আমার কাছে চিত্রনাট্যের জন্য প্রস্তাব আসছিল না। সুশান্তই আমাকে বাঁচিয়েছে। তাই কেউ ভাববেন না, আমি ওকে নিয়ে ভাবি না। কিন্তু দেশের জন্যও ভাবতে হবে। ওর মৃত্যুরহস্য মাসের পর মাস প্রাইমটাইম ইস্যু হতে পারে না।"

তাঁর যুক্তি, "আমরা একটা পৃথক তদন্তকারী সংস্থা চেয়েছিলাম। সেটা পেয়েছি। আমরা সেরা সংস্থা সেরা তদন্তকারী পেয়েছি। এখন প্রতিদিন ভিন্ন সূত্র খুঁজে বিষয়টা জটিল করছে। এতে কোনও লাভ হবে বলে আমার মনে হয় না।"

এদিকে, সুশান্ত সিং রাজপুত মৃত্যু মামলার তদন্তে নেমে আজ (শুক্রবার) রিয়া চক্রবর্তীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করে সিবিআই। সেখানে নানা প্রশ্নের পাশাপাশি কেন সুশান্তের মৃত্যুর পর তদন্তের দাবি করেন রিয়া, এবিষয়েও তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন সিবিআইয়ের আধিকারিকরা। এর আগে রিয়ার বাবা-ভাইকেও জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সিবিআই আধিকারিকরা ৭ দিন ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন সুশান্তের বন্ধু সিদ্ধার্থ পিঠানিকেও। ২৮ বছর বয়সী এই অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে সুশান্ত সিং রাজপুতকে মানসিকভাবে হয়রানি করা, তাঁর টাকাপয়সা হাতিয়ে নেওয়া এবং তাঁকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার মতো মারাত্মক অভিযোগ এনেছে মৃত অভিনেতার পরিবার ।

Newsbeep

গত সপ্তাহে সুপ্রিম কোর্টের কাছ থেকে কেন্দ্রীয় তদন্তের ব্যাপারে সবুজ সংকেত পাওয়ার পরেই তদন্ত শুরু করে সিবিআই। এর আগে বিহার পুলিশের কাছে সুশান্তের পরিবার রিয়া চক্রবর্তী, তাঁর বাবা-মা এবং ভাই শৌভিকের বিরুদ্ধে যে এফআইআর দায়ের করেছিলো তার ভিত্তিতেই তদন্ত শুরু করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাটি।