"সংখ্যালঘুদের সঙ্গে নিয়ে চলুন": সিএএ প্রসঙ্গে বিজেপিকে জোটসঙ্গীর পরামর্শ

CAA Protests: "দেশের বর্তমান পরিস্থিতি ভাল নয়, এটা যথেষ্টই উদ্বেগের কারণ", বললেন বিজেপির জোটসঙ্গী ও শিরোমণি আকালি দলের প্রবীণ নেতা প্রকাশ সিং বাদল

Citizenship Amendment Act: অমৃতসরের একটি সভা থেকে সিএএ নিয়ে বক্তব্য রাখলেন শিরোমণি আকালি দলের নেতা প্রকাশ সিং বাদল

হাইলাইটস

  • সব ধর্মের মানুষদের নিয়ে একসঙ্গে চলার বার্তা দিলেন প্রকাশ সিং বাদল
  • "একে অপরের প্রতি বিদ্বেষ নয়, বরং পারস্পরিক সম্মান বজায় রাখুন", বলেন তিনি
  • সিএএ-র অধীনে মুসলিম সম্প্রদায়কেও রাখা উচিত, বলেন ওই প্রবীণ নেতা
অমৃতসর:

সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন নিয়ে এখনও দেশ জুড়ে বিক্ষোভ (CAA Protests) চলছে, বিরোধীরা বলছেন বিতর্কিত এই আইনটি প্রয়োগ করলে মুসলিম সম্প্রদায়ের সঙ্গে বৈষম্যমূলক আচরণ করা হবে। এই পরিস্থিতিতে এবার সিএএ (Citizenship Amendment Act) নিয়ে মুখ খুললেন বিজেপির জোটসঙ্গী ও শিরোমণি আকালি দলের (Shiromani Akali Dal) নেতা প্রকাশ সিং বাদল। একটি সরকারের কখনও ধর্মের ভিত্তিতে কোনও পদক্ষেপ করা উচিত নয়, বললেন তিনি। পাশাপাশি সব ধর্মের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ারও আহ্বান জানান ওই প্রবীণ নেতা(Parkash Singh Badal)। "দেশের বর্তমান পরিস্থিতি ভাল নয়, এটা যথেষ্টই উদ্বেগের কারণ। সব ধর্মকেই সম্মান করতে হবে। যদি কোনও সরকার সফল হতে চায় তবে অবশ্যই সংখ্যালঘুদের সঙ্গে নিয়েই চলতে হবে। হিন্দু, মুসলমান, শিখ এবং খ্রিস্টান, সবাই একই পরিবারের অংশ,  সবার উচিত নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে দেশে যে অশান্তির পরিবেশ তৈরি হয়েছে তা আটকানো", অমৃতসরে এক সভা থেকে একথাই বলেন বাদল।

দেশের সব ধর্মের মানুষদের একে অপরের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ হয়ে চলা উচিত এবং কখনই নিজেদের মধ্যে ঘৃণার বীজ বপন করা উচিত নয়, এমনই পরামর্শ দিলেন প্রবীণ ওই নেতা।

"আমাদের সংবিধানে লেখা আছে যে আমাদের দেশে ধর্মনিরপেক্ষ ও গণতান্ত্রিক শাসন থাকবে। ধর্মনিরপেক্ষতার পবিত্র নীতি থেকে যে কোনও বিচ্যুতি আমাদের দেশকেই দুর্বল করে দেবে। ক্ষমতাসীন দলকে অবশ্যই ভারতকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে হবে, ধর্মনিরপেক্ষ গণতন্ত্র রক্ষায় কাজ করতে হবে", বলেন শিরোমণি আকালি দলের নেতা প্রকাশ সিং বাদল।

ইসলাম শিক্ষাকেন্দ্রকে “সন্ত্রাসবাদের আঁতুরঘর” বলে মন্তব্য করলেন গিরিরাজ সিং

তিনি আরও বলেন যে, কেন্দ্রীয় সরকারকে শিখ গুরুদের থেকে শিক্ষা নিতে হবে, যাঁরা ভ্রাতৃত্ব এবং সমাজতন্ত্রের পক্ষে ছিলেন। শিখ শাসক মহারাজা রঞ্জিত সিংয়ের কথা উল্লেখ করে ওই প্রবীণ নেতা বলেন, "তিনি একজন মুসলিম বিদেশমন্ত্রীকে নিয়োগ করেছিলেন। তিনি ভোটের বিষয়ে উদ্বিগ্ন ছিলেন না। তিনি আমাদের দেশের সংবিধানের উল্লেখ করা ধর্মনিরপেক্ষতা শব্দটির প্রকৃত অর্থ বুঝতে পেরেছিলেন"।

Shaheen Bagh: জনপথ আটকে অনির্দিষ্টকাল ধরে বিক্ষোভ চলতে পারে না, বলল সুপ্রিম কোর্ট

২০১৫ এর আগে তিন মুসলিম অধ্যুষিত দেশ, বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে ধর্মীয় নিপিড়নের কারণে ভারতে আসা অমুসলিম নাগরিকদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়েছে নাগরিকত্ব সংশোধন আইনে। এই আইনে সরকার সংবিধানের ধর্মনিরপেক্ষতাকে লঙ্ঘন করেছে বলে অভিযোগ করেছে বিরোধীরা, এবং আইনটিকে মুসলিমদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক বলেও তোপ দাগা হয়েছে।

More News