This Article is From Dec 20, 2019

নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের বলি ৬! CAA-এর প্রতিবাদে নেমে উত্তরপ্রদেশে মৃত্যু বিক্ষোভকারীদের!

“আমরা কারও দিকে গুলি চালাইনি। যদি কোন গুলি চালানো হয় তবে তা প্রতিবাদকারীদের পক্ষ থেকেই হয়েছিল,” এনডিটিভিকে বলেন অপর এক কর্মকর্তা।

নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের বলি ৬! CAA-এর প্রতিবাদে নেমে উত্তরপ্রদেশে মৃত্যু বিক্ষোভকারীদের!

গোরখপুরে বিক্ষোভকারীদের দিকে পাথর ছুঁড়ছে পুলিশ

লখনউ:

নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনকে (Citizenship Amendment Act) কেন্দ্র করে শুক্রবার উত্তরপ্রদেশ জুড়ে ছড়িয়ে পড়া হিংসায় ছয়জন বিক্ষোভকারীর প্রাণ গিয়েছে বলেই জানিয়েছে রাজ্য পুলিশ। তবে, উত্তর প্রদেশের পুলিশের মহাপরিচালক ওপি সিং (Uttar Pradesh Director General of Police OP Singh) দাবি করেছেন পুলিশের গুলি চালানোর কারণে একটি মৃত্যুও  ঘটেনি। “আমরা একটি গুলিও চালাইনি,” দাবি করেছেন ওপি সিং। পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুসারে, বিজনোরে দু'জন বিক্ষোভকারী এবং সাম্ভাল, ফিরোজাবাদ, মীরাট ও কানপুরে একজন করে মারা গিয়েছেন। “আমরা কারও দিকে গুলি চালাইনি। যদি কোন গুলি চালানো হয় তবে তা প্রতিবাদকারীদের পক্ষ থেকেই হয়েছিল,” এনডিটিভিকে বলেন অপর এক কর্মকর্তা।

শুক্রবার নামাজের পরে রাজ্যের ১৩ টি জেলায় এই বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। হাজারে হাজারে মানুষ রাস্তায় সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের বিরোধিতা করে নিষেধাজ্ঞা অস্বীকার করেই রাস্তায় নামেন। বিপুল জনতা এবং পাথর ছুঁড়তে থাকা বিক্ষোভকারীদের মুখোমুখি হয়ে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে চেষ্টা করার জন্য লাঠিচার্জ শুরু করে এবং কাঁদানে গ্যাসের ব্যবহারও করে। শুক্রবারের নামাজের আগে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রয়োগ করা সত্ত্বেও এই হিংসার ঘটনা আবারও প্রশ্ন তুলছে।

নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের লক্ষ্য বাংলাদেশ, আফগানিস্তান এবং পাকিস্তান থেকে অমুসলিম অভিবাসীদের ভারতীয় নাগরিক হওয়ার পথকে আরও সহজ করে তোলা। উত্তর-পূর্বের বিক্ষোভকারীরা দাবি করেছেন যে এর ফলে ১৯৮৫ সালের অসম চুক্তিকে বাতিল করে দেবে এবং এই অঞ্চলে অবৈধ অভিবাসীদের প্রবেশের জন্য দ্বার উন্মুক্ত করবে। দেশের অন্যান্য অংশের প্রতিবাদকারীরা এই আইনকে ‘বৈষম্যমূলক' এবং ‘অসাংবিধানিক' বলেও মনে করছেন যা আদতে ভারতের ধর্মনিরপেক্ষতার পরিচয়কেই ক্ষতিগ্রস্থ করবে।

বৃহস্পতিবার বিতর্কিত এই আইনের বিরুদ্ধে দেশব্যাপী বিক্ষোভের মধ্যেই লখনউতে সংঘর্ষের জেরে এক বিক্ষোভকারীর মৃত্যু হয়েছে। বড়াবাঁকি এবং বাহরাইচের মতো জায়গা থেকেই বিক্ষোভকারীরা এসেছিল এমনটা দাবি করে ওপি সিং বলেন, “আমরা এমন কিছু প্রমাণ পেয়েছি যাতে বোঝা যাচ্ছে এতে বহিরাগতরা সামিল রয়েছে। আমরা তাদের বিষয়ে তদন্ত করছি। চিহ্নিত ব্যক্তিদের মোবাইল ফোন এবং ফোনের রেকর্ড বিশদে পরীক্ষা করা হচ্ছে।”