“পরাজিত, বিমর্ষ, দুর্নীতিগ্রস্ত”,নির্বাচনী বন্ডের সমোলচনা করায় কংগ্রসকে তোপ বিজেপির

সরকারী সংস্থাগুলির বেসরকারিকরণ,নির্বাচনী বন্ড ইস্যুতে ওয়াকআউট করে কংগ্রেস, “দুর্নীতিগ্রস্ত আধিকারিক এনে বড় কেলেঙ্কারি” বলে মন্তব্য করেছে তারা

“পরাজিত, বিমর্ষ, দুর্নীতিগ্রস্ত”,নির্বাচনী বন্ডের সমোলচনা করায় কংগ্রসকে তোপ বিজেপির

পীযুষ গোয়েল বলেন, রাজনীতিকে স্বচ্ছতা আনতে নির্বাচনী বন্ড চালু করা হয়

নয়াদিল্লি:

নির্বাচনী বন্ড (Electoral Bonds) প্রকল্প নিয়ে বিরোধীদের সমালোচনা বৃহস্পতিবার খারিজ করে দিল বিজেপি, তাদের এই সমালোচনাকে “পরাজয়, হতাশা, এবং দুর্নীতি পরায়ণ” রাজনীতিবিদ যাঁরা অবৈধ উপায়ে টাকা তৈরি করেন। কেন্দ্রীয় বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী পীযুষ গোয়েল (Piyush Goyal) একটি সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, “যারা নির্বাচনী বন্ডের বিরুদ্ধে সমালোচনা করছে, তারা কালো টাকা পরিমাণ বৃদ্ধি করে, এবং নির্বাচনে তার ব্যবহারে বিশ্বাসী। এটা পরাজিত এবং হতাশাগ্রস্ত দুর্নীতিগ্রস্ত রাজনীতিবিদরা, যারা পরিচ্ছন্নতা চান না নির্বাচনে কর দেওয়া স্বচ্ছ টাকার ব্যবহার”। সরকারি সংস্থাগুলির বেসরকারিকরণ এবং নির্বাচনী বন্ডের ইস্যুতে সংসদে ওয়াকআউট করে কংগ্রেস, সেগুলিকে “দুর্নীতিগ্রস্ত আধিকারিক এনে বড় কেলেঙ্কারি” বলে মন্তব্য করেছে তারা। গণ্ডগোলের জেরে রাজ্যসভায় মুলতুবি হয়।

পীযুষ গোয়েল দাবি করেন, জাতীয় রাজনীতিকে স্বচ্ছ করার জন্যই নির্বাচনী বন্ডের সূচনা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “বহু বছর ধরে, কিছু দল অবৈধভাবে টাকা উপার্জন করেছে। এখন, রাজনীতিতে শুধুমাত্র সৎ উপায়ের টাকাই রাজনীতিতে আসতে পারবে., তারা আঘাত পেয়েছে। সেই জন্যই তারা জনগণকে ভুল বোঝাচ্ছে”, পাশাপাশি আরও বলেন, কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ আমলে কালো টাকার বাড়বাড়ন্ত ছিল।

নতুন আইনে অজ্ঞাত পরিচয় উৎস থেকে টাকা পেতে পারে রাজনৈতিক দলগুলিঃ কমিশন

কর্ণাটকের বিজেপির তরফে কংগ্রেসকে, কেন্দ্রীয় সরকারের দিকে আঙুল তোলার আগে, নিজেদের দিকে নজর দিতে বলা হয়েছে। তাদের তরফে ট্যুইটে লেখা হয়েছে, “আপনাদের শীর্ষনেতা রাহুল গান্ধি ও সনিয়া গান্ধি ন্যাশনাল হেরল্ড মামলায় জামিনে জেলের বাইরে রয়েছেন। আর্থিক তছরূপের অভিযোগে আপনাদের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী জেলে। আর্থিক অপরাধে আপনাদের নেতা জামিনে রয়েছে। অভিযোগ তোলার আগে, আয়নায় নিজেদের চেহারা দেখুন”।

আজকের গুরুত্বপূর্ণ খবরগুলি দেখতে ক্লিক করুন:

নির্বাচনী বন্ডের ব্যবহার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে অনেক এনজিও এবং বিরোধী দল। চলতি বছরের শুরুতে অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্র্যাটিক রিফর্ম জানিয়েছে, এই প্রকল্পের ফলে সবচেয়ে সুবিধা হয়েছে বিজেপির---তাদের ভাঁড়ারে জমা পড়েছে নির্বাচনী বন্ডের ৯৫ শতাংশ।

More News