This Article is From Jun 01, 2019

আনুষ্ঠানিক ভাবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের দায়িত্ব গ্রহণ করলেন বিজেপি সভাপতি

নীল জ্যাকেট এবং সাদা কুর্তা পরিহিত অমিত আজ দুপুরে নর্থ ব্লকের ভেতরে প্রবেশ করেন। নিজের অফিসে গিয়ে কার্যভার বুঝে নেন

আনুষ্ঠানিক ভাবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের দায়িত্ব গ্রহণ করলেন বিজেপি সভাপতি

কাশ্মীরের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করাই নতুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে সবচেয়ে গুরু দায়িত্ব হতে চলেছে।

হাইলাইটস

  • আনুষ্ঠানিক ভাবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের দায়িত্ব গ্রহণ করলেন বিজেপি সভাপতি
  • আজ দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করলেন তিনি
  • দু’দিন আগেই শপথ নিয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নতুন মন্ত্রিসভা
নিউ দিল্লি:

নতুন দায়িত্ব বুঝে নিলেন বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ (BJP President Amit Shah) । আজ দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Union Home Minister) হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করলেন তিনি। দু'দিন আগেই শপথ নিয়েছে (PM Swearing In Ceremony) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর  (PM Narendra Modi)  নতুন মন্ত্রিসভা (New Cabinet) । সেখানে মোদী এবং রাজনাথ সিংয়ের পরেই শপথ নেন অমিত। তখনই মনে করা হয়েছিল গুরুত্বপূর্ণ কোনও মন্ত্রক পেতে চলেছেন বিজেপি সভাপতি। শেষমেশ  গতকাল মন্ত্রক বণ্টনের পর দেখা যায় অমিতকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। নীল জ্যাকেট এবং সাদা কুর্তা পরিহিত অমিত আজ দুপুরে নর্থ ব্লকের ভেতরে প্রবেশ করেন। নিজের অফিসে গিয়ে কার্যভার বুঝে নেন।  তাঁকে স্বাগত জানান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব রাজীব গুবা।  

গত ৫ বছর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের দায়িত্ব সামলেছেন বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি রাজনাথ সিং। এতদিন স্বরাষ্ট্র দপ্তর সামলানোর পর এবার তাঁকে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের ভার দিয়েছেন নরেন্দ্র মোদী। অন্যদিকে গত মন্ত্রিসভার  প্রতিরক্ষামন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ হয়েছেন অর্থমন্ত্রী। শারীরিক কারণে গত মন্ত্রিসভার অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি এবার কোনও দায়ভার নিতে চাননি। চিঠি লিখে নিজের বক্তব্য জানিয়ে দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রীকে।

পরিচিতরা জানেন অমিত কোনও কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রয়োজন হলে দু'বার ভাবেন না। তাঁর এই মানসিকতাই এখন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের কাজে প্রতিফলিত হতে চলেছে বলে কূটনীতিকদের একটা বড় অংশ মনে করছেন। দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা থেকে শুরু করে কেন্দ্রের সঙ্গে রাজ্য রাজ্য সরকারগুলি সম্পর্ক কী হতে চলেছে তা নির্ধারণ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবেন গুজরাটের গান্ধীনগর এই সাংসদ। খুব স্বাভাবিকভাবেই জম্মু এবং কাশ্মীরের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করাই নতুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে সবচেয়ে গুরু দায়িত্ব হতে চলেছে।

এমনিতেই বিজেপি নির্বাচনের আগে ৩৫ এ  এবং ৩৭০ ধারা অবলুপ্তির কথা বলেছিল। প্রথম থেকেই এই দুটি ধারার অবলুপ্তির বিরুদ্ধে সাওয়াল করে আসছে কাশ্মীরের দলগুলি। এই পরিস্থিতিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে অমিত কী করে সবটা  সামাল দেন সেটাই এখন দেখার। তাছাড়া নাগরিকত্ব আইন এবং এনআরসি নিয়ে গত বছর ধরেই জলঘোলা হচ্ছে। নির্বাচনী প্রচার সভায় বারবার অমিত শাহ থেকে শুরু করে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন অবৈধভাবে যারা এদেশে বসবাস করছে তাদেরকে বিতাড়িত করা হবে। যারা অনুপ্রবেশ করেছে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা হবে। এক্ষেত্রেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে।

দলীয় পরিসরের বাইরে গিয়েও এর আগে নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অমিতের। মোদী যখন গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন সেসময় স্বরাষ্ট্র দপ্তর দেখতেন অমিত। এবার নিজের দীর্ঘদিনের সঙ্গীকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় নিয়ে এসেছেন প্রধানমন্ত্রী।