This Article is From Sep 10, 2019

রাষ্ট্রসঙ্ঘে কাশ্মীর নিয়ে পাকিস্তানের মতকে খণ্ডন করতে পারে ভারত

জম্মু ও কাশ্মীর (J&K) নিয়ে মুখোমুখি হতে পারে ভারত ও পাকিস্তান (Pakistan)। রাষ্ট্রসঙ্ঘের মানবাধিকার কাউন্সিলের সভায় দুই দেশ এই নিয়ে কথা বলতে পারে।

রাষ্ট্রসঙ্ঘে কাশ্মীর নিয়ে পাকিস্তানের মতকে খণ্ডন করতে পারে ভারত

জম্মু ও কাশ্মীর (J&K) নিয়ে মঙ্গলবার মুখোমুখি হতে পারে ভারত ও পাকিস্তান।

হাইলাইটস

  • জম্মু ও কাশ্মীর নিয়ে মঙ্গলবার মুখোমুখি হতে পারে ভারত ও পাকিস্তান
  • রাষ্ট্রসঙ্ঘের মানবাধিকার কাউন্সিলের সভায় এই নিয়ে কথা হতে পারে
  • মঙ্গলবার এই আলোচনা হতে পারে
নয়াদিল্লি:

জম্মু ও কাশ্মীর (J&K) নিয়ে মঙ্গলবার মুখোমুখি হতে পারে ভারত ও পাকিস্তান (Pakistan)। সুইৎজারল্যান্ডের জেনেভায় রাষ্ট্রসঙ্ঘের (UN) মানবাধিকার কাউন্সিলের সভায় দুই প্রতিবেশী দেশ এই নিয়ে কথা বলতে পারে। জম্মু ও কাশ্মীরের ‘স্পেশাল স্ট্যাটাস' তুলে নিয়ে রাজ্যকে দু'টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিভক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত। এই পদক্ষেপের বিরোধিতা করেছে পাকিস্তান। এই রাষ্ট্রসঙ্ঘেরও দ্বারস্থ হয়েছিল তারা। কিন্তু ফলপ্রসূ হয়নি সেই আবেদন। মঙ্গলবার এই আলোচনা হতে পারে। সোমবার পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কুরেশি, যিনি পাক প্রতিনিধি দল‌ের নেতৃত্বে রয়েছেন, তিনি টুইট করে জানান পাকিস্তান অবশ্যই কাশ্মীর নিয়ে নিয়ে এই সেশনে কথা বলবে।

এই ইস্যুতে রাষ্ট্রসঙ্ঘের হাই কমিশনার মিচেল বাচেলেটের বক্তব্য এই প্রসঙ্গে তিনি তুলে ধরেন। সোমবার মিচেল তাঁর ভাষণে জানান, তিনি ভারত সরকারের সাম্প্রতিক পদক্ষেপের পরে কাশ্মীরের অধিবাসীদের মানবাধিকার নিয়ে গভীর ভাবে উদ্বিগ্ন। এর মধ্যে সেখানকার রাজনীতিবিদ ও সমাজকর্মীদের আটক করার বিষয়টিও রয়েছে।

২ সপ্তাহ আগের তুলনায় ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে এখন ‘উত্তেজনা কম': ট্রাম্প

ভারতীয় প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে রয়েছেন অজয় বিসারিয়া ও বিজয় ঠাকুর সিংহ। প্রসঙ্গত অজয় বিসারিয়া পাকিস্তানে নিযুক্ত হাই কমিশনার হিসেবে ছিলেন। ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ছিন্ন করার ব্যাপারে পাঁচটি পদক্ষেপ করে পাকিস্তান। তার মধ্যে একটি ছিল অজয়কে দেশে ফেরত পাঠানো।

গত মাসে রাষ্ট্রসঙ্ঘকে পাকিস্তান লিখে জানায়, জম্মু ও কাশ্মীরে প্রভূত পরিমাণে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন লঙ্ঘন করা হচ্ছে। চলছে ব্যাপক হিংসা। কিন্তু সেই আবেদনের পরেও বিশেষ সুবিধা করতে পারেনি পাকিস্তান। রাষ্ট্রসঙ্ঘে এই নিয়ে রুদ্ধদ্বার বৈঠক হয়। কিন্তু চিন ছাড়া বাকি সব দেশই একমত হয় যে, জম্মু ও কাশ্মীরে ভারত যে পদক্ষেপ করেছে তা একান্তই তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়।

মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প এর আগে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে কাশ্মীর সমস্যা নিয়ে মধ্যস্থতা করতে চেয়েছিলেন। ফ্রান্সে জি৭ বৈঠকে প্রধামন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে আলোচনার পর তিনি এই প্রস্তাব আনেন।

মোদির সঙ্গে যুগ্ম সাংবাদিক বৈঠকে ট্রাম্প বলেন, ‘‘গত রাতে আমরা কাশ্মীর নিয়ে কথা বলেছি। এবং প্রধানমন্ত্রী মনে করেন, বিষয়টিকে নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখতে পেরেছেন তিনি।''

দেখুন বিশেষ বিশেষ খবর: