সোশ্যাল মিডিয়ায় মন্তব্য, ইঞ্জিনিয়ারিং ছাত্রকে বেধড়ক মারধর কলেজের সিনিয়রদের

অভিযুক্তরা মাদার থেরেসা ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি কলেজের ইলেকট্রনিকস অ্যান্ড ইলেকট্রিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং(ইইই)-এর ছাত্র

সোশ্যাল মিডিয়ায় মন্তব্য, ইঞ্জিনিয়ারিং ছাত্রকে বেধড়ক মারধর কলেজের সিনিয়রদের

জুনিয়রকে মারধরের ঘটনায় আফ্রিদি, মণিতেজা ও সাই কিরণকে অভিযুক্ত হিসাবে চিহ্নিত করা সম্ভব হয়েছে

খাম্মাম, তেলেঙ্গানা:

ফের একবার ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের সিনিয়র ছাত্রদের হাতে প্রহৃত হতে হল এক জুনিয়রকে। তেলেঙ্গানার (Telangana) খাম্মাম জেলার সাথুপল্লিতে অবস্থিত ওই কলেজের পড়ুয়া সোশ্যাল মিডিয়ায় আপত্তিকর মন্তব্য (social midea remarks) করায় তাঁকে নৃশংসভাবে মারধর করে (engineering student beaten) তাঁর কলেজের ওপরের বর্ষের ছাত্ররা (Student beaten by senior)। ইতিমধ্যেই আফ্রিদি, মণিতেজা ও সাই কিরণকে অভিযুক্ত হিসাবে চিহ্নিত করা সম্ভব হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, মঙ্গলবার শিবা গণেশ নামে ওই জুনিয়র ছাত্রটিকে একটি পুরনো বাড়িতে টেনে নিয়ে গিয়ে তাঁকে ব্যাপক মারধর করে কলেজের ও তিন সিনিয়র ছাত্র। অভিযুক্তরা মাদার থেরেসা ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি কলেজের ইলেকট্রনিকস অ্যান্ড ইলেকট্রিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং(ইইই) বিভাগে পড়াশুনো করছে।

Kerala Ragging Case: প্রথম বর্ষের পড়ুয়াকে তিন ঘণ্টা ধরে মারধরের অভিযোগ

“মারধরের শিকার শিবা নামের ওই ছেলেটি (engineering student beaten) কলেজের জুনিয়র ছাত্র। এর আগেও ওই ৩ অভিযুক্তকে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় সে আপত্তিকর মন্তব্য করে এবং পরবর্তীতে ক্ষমা চেয়ে নেয়”, জানান এক পুলিশ আধিকারিক। “অভিযোগের উপর ভিত্তি করে, ওই ৩ অভিযুক্ত ছাত্রের বিরুদ্ধে ভারতীয় সংবিধানের রাগিং আইনের অধীনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে”, জানান তিনি।

ম্যানেজমেন্ট ছাত্রের দেহ উদ্ধার ক্যাম্পাসেই, আত্মহত্যা না খুন, সংশয়ে পুলিশ

এর আগেও বিভিন্ন সময় ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে সিনিয়র ছাত্রদের হাতে জুনিয়র ছাত্রদের হেনস্থা হওয়ার (Student beaten by senior) ঘটনা সামনে এসেছে। তবে কলেজ কর্তৃপক্ষের সতর্কতা সত্ত্বেও এখনও কিন্তু এড়ানো যাচ্ছে না এই ধরণের হেনস্থার ঘটনা, তেলেঙ্গানার ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের এই ঘটনাই তার জলজ্যান্ত প্রমাণ।



(এনডিটিভি এই খবর সম্পাদনা করেনি, এটি সিন্ডিকেট ফিড থেকে সরাসরি প্রকাশ করা হয়েছে।)
More News