শ্রম আইনে তড়িঘড়ি সংশোধন আনতে অর্ডিন্যান্সের পথে হাঁটবে কেন্দ্র

কিন্তু চলতি বছরের শুরুতে সংক্রমণ ও লকডাউনের জেরে প্রভাবিত হবে দেশের অর্থনীতি। এমন ইঙ্গিত দিয়েছে একাধিক আন্তর্জাতিক সংস্থা

শ্রম আইনে তড়িঘড়ি সংশোধন আনতে অর্ডিন্যান্সের পথে হাঁটবে কেন্দ্র

সংক্রমণের জেরে ভারতে কমবে আর্থিক বৃদ্ধির হার এমন পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাঙ্ক।

নয়া দিল্লি:

শ্রম আইনে তড়িঘড়ি সংশোধন আনতে অর্ডিন্যান্সের (Labour code) পথে হাঁটতে চলেছে কেন্দ্র। করোনা সংক্রমণের (Corona) আগে এই আইনে সংশোধনী সংক্রান্ত বিল সংসদে পাস হয়েছে। কিন্তু পরবর্তী সময়ে সংক্রমণ ও লকডাউনের (Lockdown) জেরে সেই বিল দিনের আলো দেখেনি। এবার এই সংশোধনীকে আইনে পরিণত করতে অর্ডিন্যান্স জারি করতে চলেছে শ্রম মন্ত্রক। এমনটাই খবর মন্ত্রক সুত্রে। জানা গিয়েছে, এই বিলে মূল ৩টি সংশোধনী আছে। এক) ন্যূনতম পারিশ্রমিক বিধি ২) বোনাস ৩) সমান পারিশ্রমিক বণ্টন। এই সংশোধনীর মধ্যে একটা গুরুত্বপূর্ণ পরিসর আছে সামাজিক নিরাপত্তা বিধি। এই বিধিতে প্রভিডেন্ট ফান্ড, মাতৃত্বকালীন সুবিধা আর বিমার পরিসরে জুড়ে দেওয়া হয়েছে।

দিল্লি ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকায় ভূমিকম্প

গত জুনে সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল শ্রম আইনের ৪০টি ধারাকে কমিয়ে ৪টি ধারা করবে। এর জেরে ভারতে বিনিয়োগ পরিসর বাড়াতে লাল ফিতের ফাঁসে আটকাতে হবে না বহুজাতিক সংস্থাগুলোকে। দেশে বিনিয়োগের পরিসর বাড়াতে ও আর্থিক বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। 

মানচিত্রে লাল-কমলা-সবুজ রঙ এবার সংক্রমণের মাত্রা চিনিয়ে দেবে দেশকে

কিন্তু চলতি বছরের শুরুতে সংক্রমণ ও লকডাউনের জেরে প্রভাবিত হবে দেশের অর্থনীতি। এমন ইঙ্গিত দিয়েছে একাধিক আন্তর্জাতিক সংস্থা। চলতি অর্থবর্ষের শেষে ১.৫-২.৮% বৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাঙ্ক। ফলে বৃদ্ধির হার আরও বাড়তে জরুরি ভিত্তিতে শ্রম আইনে সংশোধন চাইছে কেন্দ্র। এর জেরে সুরক্ষিত থাকবে মালিক-শ্রমিক দুই পক্ষের স্বার্থ। এমন দাবি করেছে মন্ত্রকের একটি সূত্র।