This Article is From Feb 09, 2019

কলকাতা পুলিশের হানা দেওয়া সংস্থার সঙ্গে সম্পর্ক অস্বীকার নাগেশ্বর রাও-এর

শনিবার একটি বিবৃতি দিয়ে এ নাগেশ্বর রাও বলেন, কলকাতা পুলিশের হানা দেওয়া সংস্থাগুলির সঙ্গে আমার পরিবারের সম্পর্ক আছে বলে যে খবরটি কয়েকটি মিডিয়াতে ছড়িয়ে গিয়েছে, তা মিথ্যে।

কলকাতা পুলিশের হানা দেওয়া সংস্থার সঙ্গে সম্পর্ক অস্বীকার নাগেশ্বর রাও-এর
কলকাতা:

তাঁর অথবা তাঁর পরিবারের সঙ্গে শুক্রবার কলকাতা পুলিশের হানা দেওয়া কলকাতার দুটি বেসরকারি সংস্থার কোনওরকম সম্পর্ক আছে বলে অস্বীকার করলেন সিবিআই-এর প্রাক্তন অন্তর্বর্তী অধিকর্তা এ নাগেশ্বর রাও। মাত্র ১০০ দিন আগেও তিনি বলেছিলেন অন্য কথা। মেঘালয়ের শিলং-এ এই মুহূর্তে কলকাতা পুলিশের কমিশনার রাজীব কুমারকে জেরা করছে সিবিআই। গত রবিবার যে রাজীব কুমারের বাড়িতে সিবিআই হানা দেওয়ার পর উত্তাল হয়ে পড়ে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি। ধর্মতলার মেট্রো চ্যানেলে ধর্নায় বসে পড়েন স্বয়ং রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সল্টলেকের অ্যাঞ্জেলা মার্সেন্টাইল প্রাইভেট লিমিটেড (এএমপিএল) নামের ওই সংস্থায় হানা দেয় কলকাতা পুলিশ। সংস্থাটির অফিস এর আগে যে বাড়িতে ছিল, সেই বাড়িটি প্রবীণ আগরওয়াল বলে এক ব্যক্তির। যাঁকে নিজের ‘পুরনো বন্ধু' বলে পরিচয় দেন নাগেশ্বর রাও।

বর্তমানে সংস্থাটির কলকাতার ঠিকানা ডালহৌসির ক্লাইভ রো'তে।

শনিবার একটি বিবৃতি দিয়ে এ নাগেশ্বর রাও বলেন, কলকাতা পুলিশের হানা দেওয়া সংস্থাগুলির সঙ্গে আমার পরিবারের সম্পর্ক আছে বলে যে খবরটি কয়েকটি মিডিয়াতে ছড়িয়ে গিয়েছে, তা মিথ্যে। ওড়িশা ক্যাডারের অফিসার এম নাগেশ্বর রাও। ২০০৮-০৯ সালে পশ্চিম মেদিনীপুরের সিআরপিএফ বাহিনীর ইনস্পেক্টর জেনারেল পদে ছিলেন। মাওবাদী-অধ্যুষিত লালগড়ই সেই সময় ছিল তাঁর কাজের মূল ক্ষেত্র।

গত অক্টোবর মাসে যদিও অন্য কথা বলেছিলেন এ নাগেশ্বর রাও। কী কী বলেছিলেন তিনি, দেখে নেওয়া যাকঃ

১) ২০১০ সালে তাঁর স্ত্রী এএমপিএল সংস্থার থেকে ২৫ লক্ষ টাকা ঋণ নিয়েছিলেন।

২) তাঁর পরিবারের ‘দীর্ঘদিনের বন্ধু' প্রবীণ আগরওয়ালের সংস্থা এএমপিএল।

৩) গুন্টুরে কিছু সম্পত্তি কেনার জন্য ব্যয় করা হয়েছিল টাকাটা।

৪) ২০১১ সালে ৫৮ লক্ষ ৬২ হাজার টাকায় পূর্বপুরুষের জমি বিক্রি করে দেন নাগেশ্বর রাও-এর স্ত্রী।

৫) তিনি সেই অর্থ পুরো ট্রান্সফার করে এএমপিএল-এ।

৬) ২০১৪ সালে এএমপিএল ঋণের আসল ও সুদের টাকা কেটে নিয়ে তা থেকে বাকিটা তাঁর স্ত্রী'কে টাকাটা ফেরত দেয়।

৭) নাগেশ্বর রাও-এর স্ত্রী'কে ৪১ লক্ষ টাকা দেওয়া হয়েছিল।