২৪ ঘণ্টায় ৭৭ জনের মৃত্যু দেশে! একদিনে সর্বাধিক, মোট ১১৫২ জন মৃত: দাবি কেন্দ্রের

স্বাস্থ্য মন্ত্রকের যুগ্মসচিব লব আগরওয়াল জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ১৯৯৩ টি নতুন সংক্রমণ ধরা পড়েছে

২৪ ঘণ্টায় ৭৭ জনের মৃত্যু দেশে! একদিনে সর্বাধিক, মোট ১১৫২ জন মৃত: দাবি কেন্দ্রের

সংক্রমণের জেরে গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বাধিক মৃত্যু (Highest Spike in Death) নিশ্চিত করল ভারত। জানা গিয়েছে, একদিনে ৭৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। যা দেশের সংক্রমণে মৃত্যুর নিরিখে সর্বাধিক হার। স্বাস্থ্য মন্ত্রক সূত্রে খবর, এই মৃত্যু ধরে দেশে মোট মৃত ১,১৫২ জন। পাশাপাশি দেশে সংক্রমিতের সংখ্যা ৩৫ হাজার ছাড়িয়েছে। মোট সংক্রমিত ৩৫,৩৬৫। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৯,০৬৫ জন। মন্ত্রকের (Health Ministry) দাবি, গত এক সপ্তাহে অনেকটাই বেড়েছে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরা মানুষের শতাংশ। মোট সংক্রমিতের বিচারে ২৫.৩৭% সুস্থ হয়ে ফিরে গিয়েছেন বাড়ি। যা কিছুটা হলেও স্বস্তি দিচ্ছে স্বরাষ্ট্র-সহ স্বাস্থ্য মন্ত্রককেও। পাশাপাশি আশার আলো দেখিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রক দাবি করেছে, এখন ১১ দিনে দ্বিগুণ হচ্ছে সংক্রমণ। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের যুগ্মসচিব লব আগরওয়াল জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ১৯৯৩ টি নতুন সংক্রমণ (Corona Active cases) ধরা পড়েছে। এদিকে,  করোনা সংক্রমণ মোকাবিলায় দেশব্যাপী লকডাউনের সময়সীমা আরও দু'সপ্তাহের জন্য বাড়ানো হল। ৪ মে থেকে পরবর্তী দু'সপ্তাহ লকডাউন জারি থাকবে বলে সরকারের তরফে জানানো হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক নতুন গাইডলাইন তৈরি করেছে এই সময়কালের জন্য। ‘রেড', ‘অরেঞ্জ' ও ‘গ্রিন' জোন অনুসারে এই গাইডলাইন তৈরি করা হয়েছে।

‘‘৪টি, ১০টি নয়'': রাজ্যের ‘রেড জোন' প্রসঙ্গে কেন্দ্রের হিসেবের প্রতিবাদে জানাল রাজ্য সরকার

সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, ‘গ্রিন' ও ‘অরেঞ্জ' জোনের ক্ষেত্রে কিছু শিথিলতা আনা হবে। তবে দেশজুড়ে যে কোনও ‘জোন' নিরপেক্ষ ভাবে কিছু বিধিনিষেধ থাকবে বলেও জানানো হয়েছে। বিমান, রেল, মেট্রো পরিষেবা ও আন্তঃরাজ্য ভ্রমণ নিষিদ্ধই থাকবে। বন্ধ থাকবে স্কুল, কলেজ ও অন্যান্য শিক্ষা / প্রশিক্ষণমূলক প্রতিষ্ঠান। সেই সঙ্গে রেস্তোরাঁ, হোটেলও বন্ধ থাকবে। বড় জমায়েতের স্থান যথা সিনেমা হল, মল, জিম ও ক্রীড়া সংস্থাগুলিও বন্ধ রাখা হবে। এছাড়াও সরকার কোনও রকমের সামাজিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক জমায়েতেও নিষেধাজ্ঞা জারি করে রেখেছে। ধর্মীয় সমাবেশও নিষিদ্ধ।

সুখবর! গত ২ সপ্তাহে করোনা হটস্পটের এলাকা ক্রমশই কমছে, জানাল সরকার

অপরদিকে, দু'দিন আগেই কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়ে দিয়েছিল, করোনা সংক্রমণ নেই এমন পরিযায়ী শ্রমিক, পড়ুয়া, তীর্থযাত্রী ও পর্যটক যাঁরা বিভিন্ন রাজ্যে আটকে রয়েছেন তাঁদের নিজেদের রাজ্যে ফেরাতে বিশেষ ট্রেনের বন্দোবস্ত করা হবে। শুক্রবার থেকে দেশব্যাপী লকডাউনের মধ্যেই শুরু হল সেই ট্রেনের যাতায়াত। এদিন ভোর সাড়ে চারটের সময় তেলেঙ্গানা থেকে ঝাড়খণ্ডের দিকে রওয়ানা দিল প্রথম ট্রেনটি। লিঙ্গম পল্লি থেকে ঝাড়খণ্ডের হাতিয়া জেলা পর্যন্ত যাবে ট্রেনটি। ট্রেনে যাত্রী ছিল ১,২০০ জন। ২৪ কোচের ট্রেনটির প্রতি কম্পার্টমেন্টে যেখানে যাত্রী ধরে ৭২ জন, সেখানে ৫৪ জনের বেশি বসতে দেওয়া হবে না। সকলকেই সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে বসতে হবে।