This Article is From Jan 09, 2020

জম্মু ও কাশ্মীরে ১৫ জন রাষ্ট্রদূত, রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজ

আমেরিকা ছাড়াও, রয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া, মরোক্কো, নাইজের,, নাইজেরিয়া, গুয়ানা, আর্জেন্টিনা, নরওয়ে, ফিলিপিন্স, মলদ্বীপ,টোগো, ফিজি পেরু, বাংলাদেশ, ভিয়েতনাম

জম্মু ও কাশ্মীরে ১৫ জন রাষ্ট্রদূত, রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজ

পিডিপির দাবি, বিদেশি প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ করা সরকারের পদক্ষেপ পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা

শ্রীনগর:

জম্মু ও কাশ্মীর (Jammu and Kashmir) সফরে আমেরিকা সহ মোট ১৫টি দেশের রাষ্ট্রদূতের প্রতিনিধি দল (Foreign Delegation), দেশের নয়া কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের সামগ্রিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখবেন তাঁরা। জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বা ৩৭০ ধারা (Article 370)  প্রত্যাহার এবং রাজ্যটিকে ভেঙে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত করার পর থেকে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার সেখানে গেল বিদেশি প্রতিনিধি দল। আমেরিকা ছাড়াও, প্রতিনিধি দলে রয়েছেন দক্ষিণ কোরিয়া, মরোক্কো, নাইজের,, নাইজেরিয়া, গুয়ানা, আর্জেন্টিনা, নরওয়ে, ফিলিপিন্স, মলদ্বীপ,টোগো, ফিজি পেরু, বাংলাদেশ, ভিয়েতনামের রাষ্ট্রদূত। তালিকায়ছিল ইউরোপিয় ইউনিয়নও, যদিও “গাইডেড সফরে” রাজি নন তাঁরা। সূত্রের খবর, আট থাকা তিন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চান তাঁরা, এবং পরে সেখানে যেতে পারেন।

জম্মু ও কাশ্মীরের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে আসছে আমেরিকা সহ ১৭টি দেশের প্রতিনিধি দল

সরকারি সূত্র NDTV কে জানিয়েছে, জম্মু ও কাশ্মীরে সফরের পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছে ইউরোপিয় ইউনিয়ন, তবে তাঁদের অনেকেই বলেছেন, এবারের সফরটি খুবই কম সময়ের নোটিশে হয়েছে, এবং পরে তাঁরা সফর করতে পারেন।

গতবারের মতোই, এবারের সফরেও জায়গার তালিকায় রয়েছে শ্রীনগর এবং জম্মু, সেখানেই কয়েকজন স্থানীয়ের সঙ্গে কথা বলবেন রাষ্ট্রদূতরা, এবং সেনাবাহিনীর থেকে বিস্তারিত তথ্য নেবেন। পাশাপাশি আলতাফ বুখারির নেতৃত্বাধীন একটি রাজনৈতিক নেতাদের প্রতিনিধি দলের সঙ্গেও কথা বলবেন তাঁরা, এবং রাজভবনে মধ্যাহ্নভোজ হবে। গতবছর আলতাফ বুখারিকে বহিষ্কার করে মেহবুবা মুফতির দল পিডিপি।

জম্ম ও কাশ্মীরে যাচ্ছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত সহ ১৭ জন, থাকছে না ইউরোপিয় ইউনিয়ন

পিডিপির তরফে বলা হয়েছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টাতেই বিদেশি প্রতিনিধি দলকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। মেহবুবা মুফতির দলের তরফে ট্যুইট করা হয়েছে, “আজ কাশ্মীরের পরিস্থিতি “দেখতে” দ্বিতীয় রাষ্ট্রদূতদের প্রতিনিধি পাঠাচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর দফতর, সরকারের নিজের হাতে কঠোর পরিস্থিতি শান্ত করতেই এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে। ১৬০ দিন ধরে বন্দি থাকা রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে কি বিদেশি প্রতিনিধিদের দেখা করতে দেবে প্রধানমন্ত্রীর দফতর, সেই সাহস কি দেখাতে পারবে”।