কাশ্মীরে বনধের মধ্যেই লাদাখের কার্গিল, দ্রাসে নিষিদ্ধ বড় জমায়েত

144 in Ladakh: রাজ্যের বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহার করতে কেন্দ্রীয় সরকার সিদ্ধান্তের মধ্যেই সেখানে বনধ চলছে, তারমধ্যেই এই পদক্ষেপ

কাশ্মীরে বনধের মধ্যেই লাদাখের কার্গিল,  দ্রাসে নিষিদ্ধ বড় জমায়েত

এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিও বন্ধ রাখার ঘোষণা করেছে সরকার (ফাইল ছবি)

নয়াদিল্লি:

জম্মু ও কাশ্মীরের (Jammu and Kashmir) বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহার করে নিয়ে নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। পাশাপাশি রাজ্যটিকে ভেঙে দিয়ে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। সেখানে চলছে বনধ। এরমধ্যেই লাদাখের (Ladakh) কার্গিল, দ্রাস ও সাঙ্কো এলাকায় বড় জমায়েত নিষিদ্ধ করল প্রশাসন। ১৪৪ ধারা জারি করে কার্গিলের জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, কোনও জায়গায়, চারজন বা তারবেশী সংখ্যক মানুষের জমায়েত হলেই, শাস্তিমূলক পদক্ষেপ করা হবে। বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টার পর থেকেই সেখানে (Ladakh) এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়ে যাবে, বলে জানিয়েছে প্রশাসন। জেলা প্রশাসনের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পরবর্তী কোনও নির্দেশিকা জারি না হওয়া পর্যন্ত এই পদক্ষেপ কার্যকরী থাকবে।

ওয়াঘা সীমান্তে সমঝোতা এক্সপ্রেসকে থামিয়ে দিল পাকিস্তান, বিপাকে যাত্রীরা

এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিও বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন।

চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে, কাশ্মীর থেকে ৩৭০(Article 270) অর্থাৎ, জম্মু ও কাশ্মীরকে (Jammu and Kashmir) দেওয়া বিশেষ রাজ্যের মর্যাদা প্রত্যাহার করে নেওয়ার কথা ঘোষণা করে কেন্দ্র।  পাশাপাশি জানানো হয়, রাজ্যটিকে ভেঙে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভাগ করা হবে। তারমধ্যে একটি জম্মু ও কাশ্মীর (Jammu and Kashmir) এবং অপরটি হবে লাদাখ।

মঙ্গলবার লোকসভায় পাশ হয়, জম্মু ও কাশ্মীরকে (Jammu and Kashmir) ভেঙে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভাগ করার বিল। কয়েকটি বিরোধী দল ওয়াকআউট করে, ফলে কমে যায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা, এবং অন্যান্যরা সরকারের পক্ষে যায়। তার আগেই রাজ্যসভায় পাশ করানো হয় বিলটি।

“অনেক ইতিবাচক দিক রয়েছে” কাশ্মীর নিয়ে সরকারের পদক্ষেপে বললেন করণ সিং

গত কয়েকদিনে উপত্যকায় (Jammu and Kashmir) প্রায় কয়েকহাজার সেনা মোতায়েন করা হয়। ফলে তা নিয়ে উত্তেজনা বাড়ে, তারমধ্যেই ৩৭০ ধারা প্রত্যাহার করে কেন্দ্রীয় সরকার। রবিবার রাতে, জম্মু ও কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ওমর আব্দুল্লা এবং মেহবুবা মুফতিকে গৃহবন্দি করা হয়। ইন্টারনেট ও মোবাইল পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়ার পাশাপাশি স্কুল ও অফিস বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।

কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে সংসদে ব্যাপক হট্টগোল হয়। কারও সঙ্গে পরামর্শ না করে কেন্দ্রীয় সরকার একতরফা সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে অভিযোগ তোলে বিরোধীরা।

সম্পর্ক ছিন্ন করতে চেয়ে পাকিস্তানের পদক্ষেপ আশঙ্কাজনক, জানাচ্ছে ভারত

কেন্দ্রীয় সরকারের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে, বুধবার ইসলামাবাদ ভারতের নিযুক্ত রাষ্ট্রদূতকে বরখাস্ত করে পাকিস্তান। পাশাশি তাদের তরফে পাঁচটি পদক্ষেপ করা হয়, যারমধ্যে রয়েছে  ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক অবনতি করা এবং ভারত-পাক দ্বিপাক্ষিপ বাণিজ্য বন্ধ করা।

More News