সিএএ-র প্রতিবাদে রবিবার ১১ কিমি মানবশৃঙ্খল জুড়বে শ্যামবাজার ও গোলপার্ককে

পার্ক সার্কাসের সেভেন পয়েন্ট ক্রসিং, ম‌ল্লিক বাজার, রিপন স্ট্রিট-এজেসি বোস রোড ক্রসিং, নোনাপুকুর, রাজাবাজার ও মানিকতলার মধ্যে দিয়ে যাবে ওই মানবশৃঙ্খল।

সিএএ-র প্রতিবাদে রবিবার ১১ কিমি মানবশৃঙ্খল জুড়বে শ্যামবাজার ও গোলপার্ককে

উত্তরে শ্যামবাজার থেকে দক্ষিণে গোলপার্ক পর্যন্ত ১০ মিনিটের জন্য শৃঙ্খলটি রচিত হবে রবিবার দুপুরে।

হাইলাইটস

  • ১১ কিমি মানবশৃঙ্খলটি যুক্ত করবে শ্যামবাজার ও গোলপার্ককে
  • এর উদ্যোক্তা ইউনাইটেড ইন্টারফেথ ফাউন্ডেশন ইন্ডিয়া তথা ইউআইএফআই
  • রবিবার প্রজাতন্ত্র দিবসের দিনই রচিত হবে এই মানবশৃঙ্খল
কলকাতা:

রবিবার প্রজাতন্ত্র দিবসে (Republic Day 2020) কলকাতায় বিভিন্ন সম্প্রদায় মিলে ১১ কিমি দীর্ঘ মানবশৃঙ্খল (Human Chain In Kolkata)তৈরি করবে। উদ্যোক্তা ইউনাইটেড ইন্টারফেথ ফাউন্ডেশন ইন্ডিয়া তথা ইউআইএফআই জানিয়েছ, সংবিধানের ঐক্যের সমর্থন ও তার রক্ষার্থে এই শৃঙ্খল গঠিত হবে। উত্তরে শ্যামবাজার থেকে দক্ষিণে গোলপার্ক পর্যন্ত ১০ মিনিটের জন্য শৃঙ্খলটি রচিত হবে রবিবার দুপুরে। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সতনাম আলুওয়ালিয়া সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে জানিয়েছেন, ‘‘আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি প্রজাতন্ত্র দিবসের একটি মানবশৃঙ্খল তৈরি করার। আমরা বার্তা দিতে চাই হিন্দু, মুসলিম, শিখ, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ, জৈন— আমরা সবাই এক। সকলে মিলে আমরা একত্রিত হব ভারতীয় নাগরিক হিসেবে। এবং আমাদের মধ্যে অনৈক্যের বীজ বপণ করতে অনুমতি দেব না আমরা।''

‘‘সংঘাত নয়, সমন্বয়...'': রাজ্য সরকারের প্রতি আর্জি রাজ্যপালের

প্রসঙ্গত, ওই সংগঠনে বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের নেতারা রয়েছেন।

আলুওয়ালিয়া জানিয়েছে, বিভিন্ন সম্প্রদায় তাদের সদস্যদের আহ্বান জানিয়েছে ওই মানব শৃঙ্খলে অংশ নিতে। পার্ক সার্কাসের সেভেন পয়েন্ট ক্রসিং, ম‌ল্লিক বাজার, রিপন স্ট্রিট-এজেসি বোস রোড ক্রসিং, নোনাপুকুর, রাজাবাজার ও মানিকতলার মধ্যে দিয়ে যাবে ওই মানবশৃঙ্খল।

'বিবিধের মাঝে মিলন মহান', ৭১ তম Republic Day-র ডুডলে

তিনি আরও জানান, কোনও অংশগ্রহণকারীকেই কোনও রকম প্ল্যাকার্ড আনতে বলা হয়নি। তবে কেউ যদি কোনও ইস্যুতে প্রতিবাদ জানাতে কোনও প্ল্যাকার্ড সঙ্গে আনেন, সেক্ষেত্রে তাঁদের তা বহন করার অনুমতি দেওয়া হবে।

তিনি জানান, দেশকে বিভাজন করার যে সাম্প্রতিক প্রচেষ্টা, তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতেই এই মানবশৃঙ্খল রচনা।

পার্ক সার্কাস ময়দানে সিএএ ও এনআরসির প্রতিবাদে অনির্দিষ্টকালীন ধরনায় অংশ নেওয়া এক প্রতিবাদী নিরুফা কাতুন জানাচ্ছেন, ‘‘আমরা যদিও এখান থেকে প্রতিবাদ করছি, তবুও আমরা মানবশৃঙ্কলেও অংশ নেব কেননা আমরা প্রবল ভাবে এই ইস্যুর সঙ্গে সম মনোভাব পোষণ করছি।''

প্রসঙ্গত, পার্ক সার্কাসের পাশাপাশি কলকাতা পুরসভার সদর দফতরের সামনেও সিএএ-এনআরসির প্রতিবাদে ধরনা চলছে। পুলিশ তাদের সেখান থেকে উঠে যেতে বললে পুলিশের সঙ্গে প্রতিবাদকারীদের বাদানুবাদ শুরু হয়। কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম বলেন, ‘‘যে কোনও জায়গায় বসে যে কেউ এভাবে প্রতিবাদ করতে পারবে না। এই ভাবে প্রতিবাদ করে তারা সিএএ-বিরোধী আন্দোলনের তীব্রতা হ্রাস করছে, যা পক্ষান্তরে বিজেপিরই হাত শক্ত করছে।''

More News