This Article is From Dec 13, 2019

“আমরা শান্তির পথে”, নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদ নিয়ে বললেন অসমের ডিজি

ভাস্কর জ্যোতি মহান্ত বলেন, যদিও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে, তা সত্ত্বেও পরিস্থিতির দিকে কড়া নজর রাখছে পুলিশ

“আমরা শান্তির পথে”, নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদ নিয়ে বললেন অসমের ডিজি

অসম পুলিশের ডিজি ভাস্কর জ্যোতি মহান্ত বলেন, এখন শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ হচ্ছে

গুয়াহাটি:

সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের (Amended Citizenship Act) প্রতিবাদে উত্তপ্ত অসমের পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ, করা গিয়েছে এবং তা সত্ত্বেও পুলিশ নজর রাখছে, যাতে পুনরায় সেই অশান্তি যাতে না ছড়িয়ে পড়ে, শুক্রবার এমনটাই জানালেন অসম রাজ্য পুলিশের ডিজি ভাস্কর জ্যোতি মহান্ত (Bhaskar Jyoti Mahanta) । NDTV কে তিনি বলেন, “আমরা শান্তির পথে। আজ পরিস্থিতি অনেকটাই ভাল ছিল, তবে আমরা এখনও পুরোপুরি নজরদারি চালাচ্ছি। আমরা আমাদের কর্তব্য করে যাচ্ছি, অক্লান্তভাবে কাজ করছেন আমাদের কর্মীরা। এটা একটা কঠিন সময়, তবে আমরা কাজ চালিয়ে যাচ্ছি”। ভাস্কর মহান্ত দাবি করেন, এখন মানুষের ওপর কোনও নিষেধাজ্ঞা জারি রাখেনি পুলিশ।

তিনি বলেন, “আজ, আমরা পরিস্থিতির কঠোর হাতে রাখার বিরুদ্ধে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিই। মানুষকে বাইরে আসতে দেওয়া এবং দৈনন্দিন সামগ্রি কিনতে দেওয়া হয়েছে”। পাশাপাশি তিনি জানান, একবার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেই ইন্টারনেট পরিষেবাও ফেরানো হবে।

বৃহস্পতিবার অসমে ব্যাপক প্রতিবাদ ছড়িয়ে পড়ে, সংশোধিত নাগরিক আইনের প্রতিবাদে কারফিউ অমান্য করেন হাজারখানেক বিক্ষোভকারী। দিনের শেষে পুলিশের গুলিতে দুজনের মৃত্যু হয়, হাজারখানেক বিক্ষোভকারীকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। শুক্রবার, অল আসাম স্টুডেন্টস ইউনিয়নের ডাকে চাঁদমারি খেলার মাঠে একটি গণ অনশনে সামিল হন হাজার খানেক মানুষ।

অসম রাজ্য পুলিশের ডিজি ভাস্কর মহান্তকে নিয়ে আসা হয় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতেই, তিনি দাবি করেন, খারাপ কিছু দ্বারা শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। তাঁর কথায়, “তাঁরা আনন্দে ছিলেন, মজা করছিলেন। খারাপ কিছু মানুষ সেখানে ঢুকে পড়ে”, তবে তিনি এও জানান, শনিবার থেকে পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে।

অসমের ডিজি বলেন, ১০০০ এরও বেশী মানুষকে আটক করা হয়েছে এবং ৬৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে হিংসার শুরু থেকে। তাঁর কথায়, “অনেক পুলিশকর্মী আহত হয়েছে, তবে এখন পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে”।

ওই পুলিশ আধিকারিক বলেন, পুলিশের গুলিতে মৃত্যু যক দুঃখজনক, পরিস্থিতি অনুযায়ী, এটা এড়ানো যেত। তাঁর কথায়, “মানুষ যখন সর্বোচ্চভাবে আমাদের অমান্য করে যাতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খারাপ হয়, তখন আমরা বড় পদক্ষেপ করি”। তিনি আরও বলেন, “তবে আমকা সনাক্ত করতে সক্ষম হয়েছি এরা কারা, এবং কারা হিংসা সূত্রপাত ঘটিয়েছে। তাদের অনেকজনকেই আমরা ধরেছি, এবং বাকিদেরও ছাড়া হবে না”।